যে যে জিকির ও আমলে আল্লাহতায়ালা সন্তুষ্ট হন

0
795
যে যে জিকির ও আমলে আল্লাহতায়ালা সন্তুষ্ট হন, amol, zikir, ruja, news written by jenifar ibrahim

জেনিফার ইব্রাহীম:   শুরু হয়েছে পবিত্র মাহে রমজান। মুসলমানদের রহমত, নাজাত, মাগফেরাতের মাস। যে মাসে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মুসলিমদের ক্ষমা করে। যে মাসে আল্লাহ পবিত্র কোরআন মাজীদ নাজিল করেছেন।

পবিত্র রোজার মাস আমাদের রহমত পাবার মাস, ক্ষমা চাওয়া ও ক্ষমা পাওয়ার মাস। তাই আমরা যত পারি আল্লাহ্ পাকের কাছে ক্ষমা চাইবো, রহমত চাইবো। রোজ নিয়মিত কিছু দরুদ ও ইসতেগফার পড়ার ফাকে ফাকে কিছু ছোট ছোট আমল করার চেষ্টা করি।


সেই বিশেষ ফযিলতপূর্ণ মাসে খুব সহজেই ছোট ছোট অল্প অল্প করে যে যে জিকির বা আমল করলে কষ্ট কম হয়, জবানে বেশি লাগে না, খুব সহজেই অনেক সওয়াব পাওয়া যায়। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন হয়।


আসুন জেনে নেই নিম্নলিখিত জিকির ও আমলগুলো কিভাবে এবং কেন পাঠ করবো।

জিকির মানে আল্লাহতায়ালার স্মরণ। আল্লাহর জিকির সবচেয়ে বড় ও সর্বোত্তম ইবাদত; কেননা, আল্লাহতায়ালার স্মরণই হচ্ছে যাবতীয় ইবাদতের প্রধান ও অন্যতম লক্ষ্য। এ প্রসঙ্গে আল্লাহতায়ালা কোরআনে কারিমে ইরশাদ করেন, ‘আর আল্লাহর স্মরণই তো সর্বশ্রেষ্ঠ। তোমরা যা কর আল্লাহ তা জানেন।’ -সূরা আনকাবুত: ৪৫

পবিত্র কোরআনে কারিমের অন্যত্র আল্লাহতায়ালা আরও ইরশাদ করেন, ‘এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণকারী পুরুষ ও অধিক স্মরণকারী নারী- এদের জন্য আল্লাহ রেখেছেন ক্ষমা ও মহা প্রতিদান।’ -সূরা আহজাব: ৩৫

তাই মুসলমান হিসেবে আমাদের উচিৎ বেশি বেশি আল্লাহতায়ালার জিকির করা। জিকির বিষয়ে অভিজ্ঞ আলেমরা বলেছেন, নিম্নে উল্লেখিত জিকিরগুলো নিয়মিত আদায় করলে মৃত্যুর পর জান্নাতপ্রাপ্তি ও আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন সহজ হয়।

মহান রাব্বুল আলামিন আমাদের সহিহ জ্ঞান দান করুক, মোবারক মাসের সময়টুকু ইবাদত ও অধ্যয়নে কাটানোর তাওফিক দান করুন। রাব্বে কারীম যেন রমজান মাসে বিশ্বের গোটা মুসলিমসহ আমাদের মুক্ত করেন মাফ করেন, এই প্রার্থনাই করি ।

জিকিরগুলো হলো-

* প্রতিদিন ১০০ বার করে ‘সুবহানাল্লাহ’ পাঠ করলে ১ হাজার সওয়াব লেখা হয় এবং ১ হাজার গুনাহ ক্ষমা করা হয়। -সহিহ মুসলিম: ৪/২০৭৩

* ‘আলহামদুলিল্লাহ’র জিকির মিজানের পাল্লাকে ভারী করে দেয় এবং এটা সর্বোত্তম দোয়া। – তিরমিজি: ৫/৪৬২ ও ইবনে মাজা: ২/১২৪৯

* ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ সর্বোত্তম জিকির। -তিরমিজি: ৫/৪৬২ ও ইবনে মাযা: ২/১২৪৯

* ‘সুবহানাল্লাহ ওয়াল হামদুলিল্লাহ; ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবার’ এই বাক্যগুলো আল্লাহতায়ালার নিকট অধিক প্রিয় এবং নবী করিম (সা.) বলেন, পৃথিবীর সমস্ত জিনিসের তুলনায় আমার নিকট অধিক প্রিয়। -সহিহ মুসলিম: ৩/১৬৮৫ ও ৪/২০৭২

* যে ব্যক্তি ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’ প্রতিদিন ১০০ বার পাঠ করবে সমুদ্রের ফেনা পরিমাণ (সগিরা) গুনাহ থাকলেও তাকে মাফ করে দেওয়া হবে। -সহিহ বোখারি: ৭/১৬৮

* নবী করিম (সা.) বলেন, ‘সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি সুবহানাল্লিল আজিম’ এই কালেমাগুলো উচ্চারণে খুব সহজ, মিজানের পাল্লায় ভারী ও দয়াময় আল্লাহতায়ালার নিকট অতি প্রিয় । -সহিহ বোখারি: ৭/১৬৮

* যে ব্যক্তি ‘সুবহানাল্লাহিল আজিমি ওয়াবিহামদিহি’ পাঠ করবে প্রতিবারে তার জন্য জান্নাতে একটি করে (জান্নাতি) খেজুর গাছ রোপন করা হবে । -তিরমিজি: ৫/৫১১

* নবী করিম (সা.) বলেন, ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লাবিল্লাহ’ হচ্ছে জান্নাতের গুপ্তধনসমূহের মধ্যে একটি গুপ্তধন। -সহিহ বোখারি: ১১/২১৩

* নবী করিম (সা.) বলেন, ‘সুবহানাল্লাহ ওয়ালহামদুলিল্লাহ ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবর ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লাবিল্লাহ’- এই কালেমাগুলো হচ্ছে অবশিষ্ট নেকআমলসমূহ। -আহমাদ: ৫১৩

* হজরত নবী করিম (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরুদ পাঠ করবে আল্লাহতায়ালা তার প্রতি দশবার রহমত বর্ষণ করবেন। ইসলামি স্কলারদের অভিমত হলো, ‘সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ পাঠ করলেই দরুদ পাঠের বরকত পাওয়া যাবে।

* হজরত আবু হুরায়রা (রা:) বলেন রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেছেন, ‘আমার সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ও আল্লাহু আকবার বলা সারা দুনিয়া অপেক্ষাও আমার কাছে প্রিয়। (মুসলিম)

নবী করিম (সা.) আরও বলেন, যে ব্যক্তি আমার প্রতি সকালে দশবার এবং বিকেলে দশবার দরুদ পাঠ করবে সে ব্যক্তি কিয়ামতের দিন আমার সুপারিশ পাবে। -আত-তারগিব ওয়াত তারহিব: ১/২৭৩

আমলগুলো হলো-

দরূদ শরীফ পাঠের ফজিলত

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কিয়ামাতের দিন সেই ব্যক্তিই আমার সবচেয়ে নিকটবর্তী হবে যে আমার প্রতি বেশি বেশি দরূদ পাঠ করে। (তিরমিজি)

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মাতকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যে ব্যক্তির উপস্থিতিতে আমার নাম উচ্চারিত হবে, কিন্তু আমার প্রতি দরূদ পাঠ করবে না, সে বড় কৃপণ। (তিরমিজি)


* দরুদ শরীফঃ- اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَليٰ سَيِّدِنَا وَمَوْلۤانَا مُحَمَّدٍ وَعَليٰ اٰلِهٖ وَاَصَحْابِهٖ وَسَلِّمْ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ছাল্লি আ’লা সায়্যিদিনা ওয়া মাওলা-না মুহাম্মাদ, ওয়া আ’লা-আ’লিহি- ওয়া আছহা-বিহি-ওয়া সাল্লাম।

এস্তেগফার পাঠের ফজিলত

আমাদের নবী (সা.) অধিক পরিমাণে এস্তেগফার করতেন, যদিও আল্লাহ তাঁর পূর্বাপর সবকিছু ক্ষমা করে দিয়েছেন। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) মৃত্যুর আগে বেশি বেশি বলতেন, ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি, আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাইহি।’ (বোখারি ও মুসলিম)। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলের চেয়ে বেশি আর কাউকে আমি ‘আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাইহি’ বলতে দেখিনি। (নাসাঈ)। সাওবান (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) নামাজের সালামের পর তিনবার ‘আস্তাগফিরুল্লাহা’ বলতেন। (মুসলিম)।

* আসতাগফিরুল্লা-হ ইন্নাল্লা-হা গা’ফুরুর রাহীম।

* ‘আসতাগফিরুল্লা-হাল আ’যীমাল্লাযী লা- ইলা- হা ইল্লা হুওয়াল হা’ইয়ুল ক্বাইয়ূমু ওয়া আতুবু ইলাইহি।’অর্থঃ আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। যিনি ছাড়া ইবাদতের আর কোন যোগ্য উপাস্য নেই। যিনি চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী। আমি তাঁর কাছে তাওবা করছি।রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ “যেই ব্যক্তি এই দোয়া পড়বে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেবেন, যদিও সে জিহাদের ময়দান থেকে পলাতক আসামী হয়”। অর্থাৎ, সে যদি বড় রকমের গুনাহগার হয়, তবুও আল্লাহ তাকে ক্ষমা করবেন। (তিরমিযী ৪/৬৯, আবুদাঊদ ২/৮৫, মিশকাত হা/২৩৫৩)।

সূরা ফাতিহা পাঠের ফজিলত

সূরা ফাতিহা কুরআনের সর্বাধিক মর্যাদাপূর্ণ সূরা। তাওরাত, জবুর, ইনজিল, কুরআন কোনো কিতাবে এই সূরার তুলনীয় কোন সূরা নেই। বুখারি, মিশকাত : ২১৪২

সুরা ফাতিহার বিশেষ মর্যাদা হলো, আল্লাহ এটিকে নিজের ও নিজের বান্দার মধ্যে ভাগ করে নিয়েছেন। একে বাদ দিয়ে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা সম্ভব নয়। সেজন্যই এর নাম দেয়া হয়েছে ‘উম্মুল কুরআন’।

* সুরা ফাতিহা: বিসমিল্লাহির রহমা-নির রহি-ম।
আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আ -লামি-ন। আররহমা-নির রাহি-ম। মা-লিকি ইয়াওমিদ্দি-ন। ইয়্যা-কা না’বুদু ওয়া ইয়্যা-কা নাসতাই’-ন। ইহদিনাস সিরাতা’ল মুসতাকি’-ম। সিরাতা’ল্লা যি-না আনআ’মতা আ’লাইহিম গা’ইরিল মাগ’দু’বি আ’লাইহিম ওয়ালা দ্দ-ল্লি-ন।

আয়াতুল কুরসি পাঠের ফজিলত

  • হজরত আবু উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজ শেষে আয়াতুল কুরসি পড়ে, তার জান্নাতে প্রবেশ করতে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকে না। (নাসাঈ)
  • হজরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি নিয়মিত পড়ে, তার জান্নাতে প্রবেশে কেবল মৃত্যুই অন্তরায় থাকে। যে ব্যক্তি এ আয়াতটি শোয়ার আগে পড়বে আল্লাহ তার ঘর, প্রতিবেশীর ঘর এবং আশপাশের সব ঘরে শান্তি বজায় রাখবেন। (বায়হাকি)

* আয়াতুল কুরসি:
আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল ক্বিয়্যুম লা তা’খুজুহু সিনাত্যু ওয়ালা নাউম। লাহু মা ফিছছামা ওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদ্। মান যাল্লাযী ইয়াস ফায়ু ইন দাহু ইল্লা বি ইজনিহি ইয়া লামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়ামা খল ফাহুম ওয়ালা ইউ হিতুনা বিশাই ইম্ মিন ইল্ মিহি ইল্লা বিমা সাআ ওয়াসিয়া কুরসিইউ হুস ছামা ওয়াতি ওয়াল আরদ্ ওয়ালা ইয়া উদুহু হিফজুহুমা ওয়াহুয়াল আলিয়্যূল আজীম। (১বার)

* ইসতেগফারঃ- হাসবুনাল্লাহু ওয়া নে’মাল ওয়াকিল; নে’মাল মাওলা ওয়া নে’মান নাছির। ( বিপদ-আপদ-মুসিবতে আল্লাহর শেখানো শব্দমালা দ্বারাই তাঁর কাছে সাহায্য কামনা করা উত্তম। যেহেতু আল্লাহর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে তাঁরই তাসবিহ-তাহলিল ও তাওবা-ইসতেগফারের বিকল্প নেই।

উল্লেখ্য যে, হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম এ দোয়ার প্রথমাংশ পড়ে নমরূদের অগ্নিকুণ্ডলি থেকে রক্ষা পেয়েছিলেন। হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালামকে যখন অবিশ্বাসী অত্যাচারী নমরূদ অগ্নিতে নিক্ষেপ করেন তখন তিনি ‘হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি’মাল ওয়াকিল’ পড়েন। যার ফলে আল্লাহ তাআলা তাঁকে নমরূদে অগ্নিকুণ্ডলী থেকে রক্ষা করেছিলেন।

আবার রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন শুনলেন যে, মুশরিকরা তাঁর ওপর আক্রমণ করবে তখন তিনি এ খবর পাওয়া মাত্রই ‘হামরাউল আসাদ’ নামক স্থানে এ দোয়াটি পড়েন। (বুখারি) )

* আসতাগফিরুল্লা-হাল আ’যীমাল্লাযী লা- ইলা- হা ইল্লা হুওয়াল হা’ইয়ুল ক্বাইয়ূমু ওয়া আতুবু ইলাইহি।’ (রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ “যেই ব্যক্তি এই দোয়া পড়বে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেবেন, যদিও সে জিহাদের ময়দান থেকে পলাতক আসামী হয়”। অর্থাৎ, সে যদি বড় রকমের গুনাহগার হয়, তবুও আল্লাহ তাকে ক্ষমা করবেন। (তিরমিযী ৪/৬৯, আবুদাঊদ ২/৮৫, মিশকাত হা/২৩৫৩) )

* আল্লাহুম্মা আনতা রাব্বি। লা ইলাহা ইল্লা আনতা। খালাকতানি ওয়া আনা আবদুকা। ওয়া আনা আলা আহদিকা। ওয়া ওয়া’দিকা মাসতাতা’তু। আউজু বিকা মিন শাররি মা-সানা’তু। আবুয়ু লাকা বিনি’মাতিকা আলাইয়্যা। ওয়া আবুয়ু লাকা বি জাম্বি। ফাগফিরলী। ফা ইন্নাহু লা ইয়াগফিরুজ জুনবা ইল্লা আনতা।

আয়াতে শিফা: ওয়া ইয়াশফী ছুদুরা কউমিম মুমিনীন । ওয়া ‍শিফাউল লিমা ফিছছুদুর । ইয়াথরূজু মিম বুতুনিহা শারাবুম মুখতালিফুন আল ওয়ানুহূ ফীহি শিফাউল লিন্নাছ ।ওয়ানুনাযাযিলু মিনাল কুরআনি মা হুয়া শিফাউ ওয়া রাহমাতাল লিল মুমিনীন । ওয়া ইযা মরিদতু ফাহুয়া ইয়াশফীন । কুল হুয়া লিল্লাযীনা আমানূ হুদাও ওয়া শিফা।

উক্ত আয়াতগুলো একবার তিলাওয়াত করে একটি পানিভর্তি পাত্রে ফু দিয়ে পানি পান করলে আল্লাহ তাআলা জটিল ও কঠিন রোগ থেকে তার বান্দাদের হিফাজত করবেন।

৩৩ আয়াতের ফযিলত

  • যে ব্যক্তি এই ৩৩ আয়াত ভক্তির সাথে পাঠ করবে, আল্লাহ তায়ালা তার সকল নেক মকসুদ পূর্ণ  করে দিবেন  এবং  সে নিরাপদে কালযাপন করবে।      সে      সব       সময়      আল্লাহ       তায়ালার রহমতের মধ্যে থাকতে পারবে।
  •   এই   সমস্ত   আয়াত   কিছুটা   কম   বেশি   রদ  বদলের  সাথে   আল  কাওলুল  জামিল    কিতাবে আল্লামা  শাহ  অলি উল্লাহ    মোহাদ্দিসে দেহলভী রাদিয়াল্লাহু   আনহু   লিখেন-   ‘এই   ৩৩   আয়াত  যাদু    টোনার  আছরকে   ধ্বংস   করে  দেয়   এবং ভূত পেতনী জ্বিন  পরী এবং   চোর ডাকাত আর  হিংস্র  জন্তুর  আক্রমণ  ও  অনিষ্ট  হতে  হেফাজত  করে।’ (প্রথমে বিসমিল্লাহ সহ সূরা ফাতিহা পড়তে হবে। তারপর পড়তে হবে নিম্নলিখিত আয়াত সমূহ: বাকারা:১-৫, বাকারা(আয়াতুল কুরসি):২৫৫-২৫৭, বাকারা:২৮৪-২৮৬, আ’রাফ:৫৪-৫৬, বনি ইসরাইল: ১১০-১১১, সাফ্ফাত:১-১১, আর রহমান-৩৩-৩৫, হাশর:২১-২৪, সূরা জ্বীন: ১-৪, সূরা কাফিরুন, ইখলাস, ফালাক ও সূরা নাস। তারপর দুই হাতের তালুতে ফুঁ দিয়ে মাথা থেকে পা পর্যন্ত মুছেহ করতে হবে।)
    তেত্রিশ আয়াত নিম্নরূপ …………………….


بِسْمِ   اللَّهِ    الرَّحْمَٰنِ   الرَّحِيمِ     (1)    الْحَمْدُ    لِلَّهِ    رَبِّ الْعَالَمِينَ    (2)   الرَّحْمَٰنِ  الرَّحِيمِ  (3)  مَالِكِ  يَوْمِ الدِّينِ   (4)     إِيَّاكَ   نَعْبُدُ   وَإِيَّاكَ   نَسْتَعِينُ     (5)   اهْدِنَا    الصِّرَاطَ      الْمُسْتَقِيمَ    (6)    صِرَاطَ      الَّذِينَ أَنْعَمْتَ      عَلَيْهِمْ      غَيْرِ      الْمَغْضُوبِ      عَلَيْهِمْ      وَلَا  الضَّالِّينَ (7)

بِسْمِ ٱللّٰهِ ٱلرَّحْمٰنِ ٱلرَّحِيمِ

الم   (1)   ذَٰلِكَ  الْكِتَابُ  لَا  رَيْبَ   ۛ   فِيهِ    ۛ   هُدًى  لِّلْمُتَّقِينَ (2) الَّذِينَ يُؤْمِنُونَ بِالْغَيْبِ وَيُقِيمُونَ الصَّلَاةَ     وَمِمَّا    رَزَقْنَاهُمْ    يُنفِقُونَ     (3)    وَالَّذِينَ يُؤْمِنُونَ  بِمَا   أُنزِلَ     إِلَيْكَ  وَمَا    أُنزِلَ  مِن  قَبْلِكَ وَبِالْآخِرَةِ  هُمْ يُوقِنُونَ  (4)  أُولَٰئِكَ عَلَىٰ  هُدًى مِّن  رَّبِّهِمْ ۖ وَأُولَٰئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ (5)

وَإِلَهُكُمْ     إِلَهٌ     وَاحِدٌ     لا       إِلَهَ     إِلا     هُوَ     الرَّحْمَنُ الرَّحِيمُ০

الْحَيُّ   الْقَيُّومُ ۚ لَا  تَأْخُذُهُ   سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ ۚ  لَّهُ مَا  فِي السَّمَاوَاتِ  وَمَا   فِي  الْأَرْضِ   ۗ مَن ذَا  الَّذِي يَشْفَعُ عِندَهُ إِلَّا بِإِذْنِهِ ۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ وَلَا  يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِّنْ عِلْمِهِ إِلَّا بِمَا شَاءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ      السَّمَاوَاتِ      وَالْأَرْضَ      ۖ      وَلَا      يَئُودُهُ  حِفْظُهُمَا  ۚ  وَهُوَ  الْعَلِيُّ  الْعَظِيمُ   (255)  لَا  إِكْرَاهَ   فِي الدِّينِ  ۖ   قَد   تَّبَيَّنَ   الرُّشْدُ   مِنَ   الْغَيِّ     ۚ   فَمَن  يَكْفُرْ بِالطَّاغُوتِ   وَيُؤْمِن  بِاللَّهِ فَقَدِ  اسْتَمْسَكَ بِالْعُرْوَةِ الْوُثْقَىٰ    لَا      انفِصَامَ     لَهَا    ۗ     وَاللَّهُ    سَمِيعٌ    عَلِيمٌ  (256)০اللَّهُ     وَلِيُّ     الَّذِينَ     آمَنُوا     يُخْرِجُهُم     مِّنَ  الظُّلُمَاتِ  إِلَى    النُّورِ   ۖ   وَالَّذِينَ    كَفَرُوا  أَوْلِيَاؤُهُمُ الطَّاغُوتُ   يُخْرِجُونَهُم  مِّنَ  النُّورِ إِلَى  الظُّلُمَاتِ  ۗ أُولَٰئِكَ أَصْحَابُ النَّارِ ۖ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ

لِّلَّهِ  مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ ۗ  وَإِن  تُبْدُوا  مَا   فِي   أَنفُسِكُمْ   أَوْ    تُخْفُوهُ   يُحَاسِبْكُم   بِهِ    اللَّهُ   ۖ فَيَغْفِرُ لِمَن يَشَاءُ وَيُعَذِّبُ مَن يَشَاءُ ۗ وَاللَّهُ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ (284)  آمَنَ الرَّسُولُ بِمَا أُنزِلَ إِلَيْهِ مِن رَّبِّهِ    وَالْمُؤْمِنُونَ   ۚ    كُلٌّ   آمَنَ    بِاللَّهِ   وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِّن رُّسُلِهِ ۚ وَقَالُوا سَمِعْنَا  وَأَطَعْنَا  ۖ  غُفْرَانَكَ  رَبَّنَا  وَإِلَيْكَ  الْمَصِيرُ  (285)  لَا  يُكَلِّفُ   اللَّهُ  نَفْسًا  إِلَّا   وُسْعَهَا   ۚ   لَهَا  مَا  كَسَبَتْ      وَعَلَيْهَا     مَا     اكْتَسَبَتْ    ۗ     رَبَّنَا     لَا تُؤَاخِذْنَا إِن  نَّسِينَا أَوْ  أَخْطَأْنَا  ۚ رَبَّنَا   وَلَا   تَحْمِلْ عَلَيْنَا إِصْرًا  كَمَا  حَمَلْتَهُ  عَلَى  الَّذِينَ مِن   قَبْلِنَا ۚ رَبَّنَا وَلَا تُحَمِّلْنَا مَا لَا طَاقَةَ لَنَا بِهِ  ۖ وَاعْفُ عَنَّا وَاغْفِرْ  لَنَا   وَارْحَمْنَا ۚ    أَنتَ مَوْلَانَا فَانصُرْنَا عَلَى  الْقَوْمِ الْكَافِرِينَ (286)০

شَهِدَ   اللَّهُ   أَنَّهُ   لَا   إِلَٰهَ    إِلَّا   هُوَ   وَالْمَلَائِكَةُ   وَأُولُو  الْعِلْمِ قَائِمًا بِالْقِسْطِ  ۚ   لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ০

قُلِ   اللَّهُمَّ   مَالِكَ   الْمُلْكِ   تُؤْتِي   الْمُلْكَ   مَن   تَشَاءُ  وَتَنزِعُ الْمُلْكَ مِمَّن تَشَاءُ  وَتُعِزُّ مَن  تَشَاءُ وَتُذِلُّ مَن تَشَاءُ  ۖ  بِيَدِكَ   الْخَيْرُ  ۖ    إِنَّكَ  عَلَىٰ  كُلِّ   شَيْءٍ  قَدِيرٌ  (26)  تُولِجُ  اللَّيْلَ  فِي  النَّهَارِ  وَتُولِجُ    النَّهَارَ     فِي اللَّيْلِ ۖ   وَتُخْرِجُ  الْحَيَّ  مِنَ  الْمَيِّتِ وَتُخْرِجُ  الْمَيِّتَ مِنَ الْحَيِّ ۖ وَتَرْزُقُ مَن تَشَاءُ بِغَيْرِ حِسَابٍ

إِنَّ رَبَّكُمُ اللَّهُ  الَّذِي خَلَقَ  السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ فِي سِتَّةِ   أَيَّامٍ  ثُمَّ  اسْتَوَىٰ  عَلَى  الْعَرْشِ  يُغْشِي   اللَّيْلَ  النَّهَارَ       يَطْلُبُهُ         حَثِيثًا       وَالشَّمْسَ       وَالْقَمَرَ وَالنُّجُومَ مُسَخَّرَاتٍ  بِأَمْرِهِ   ۗ أَلَا لَهُ الْخَلْقُ وَالْأَمْرُ   ۗ تَبَارَكَ  اللَّهُ  رَبُّ    الْعَالَمِينَ   (54)    ادْعُوا   رَبَّكُمْ تَضَرُّعًا وَخُفْيَةً  ۚ إِنَّهُ لَا  يُحِبُّ الْمُعْتَدِينَ (55)  وَلَا تُفْسِدُوا فِي الْأَرْضِ بَعْدَ  إِصْلَاحِهَا وَادْعُوهُ خَوْفًا وَطَمَعًا ۚ إِنَّ رَحْمَتَ اللَّهِ قَرِيبٌ مِّنَ الْمُحْسِنِينَ

قُلِ ادْعُوا اللَّهَ أَوِ ادْعُوا الرَّحْمَٰنَ   ۖ  أَيًّا  مَّا تَدْعُوا فَلَهُ    الْأَسْمَاءُ   الْحُسْنَىٰ   ۚ   وَلَا   تَجْهَرْ     بِصَلَاتِكَ    وَلَا تُخَافِتْ   بِهَا   وَابْتَغِ   بَيْنَ   ذَٰلِكَ  سَبِيلًا     (110)  وَقُلِ الْحَمْدُ لِلَّهِ   الَّذِي لَمْ  يَتَّخِذْ   وَلَدًا  وَلَمْ يَكُن لَّهُ شَرِيكٌ فِي   الْمُلْكِ    وَلَمْ   يَكُن   لَّهُ   وَلِيٌّ    مِّنَ  الذُّلِّ  ۖ  وَكَبِّرْهُ  تَكْبِيرًا

أَفَحَسِبْتُمْ أَنَّمَا خَلَقْنَاكُمْ عَبَثًا وَأَنَّكُمْ إِلَيْنَا لَا تُرْجَعُونَ   (115)   فَتَعَالَى اللَّهُ  الْمَلِكُ  الْحَقُّ ۖ لَا  إِلَٰهَ إِلَّا    هُوَ رَبُّ  الْعَرْشِ  الْكَرِيمِ (116) وَمَن يَدْعُ  مَعَ اللَّهِ إِلَٰهًا  آخَرَ  لَا بُرْهَانَ لَهُ بِهِ فَإِنَّمَا حِسَابُهُ عِندَ رَبِّهِ  ۚ  إِنَّهُ  لَا  يُفْلِحُ  الْكَافِرُونَ  (117)  وَقُل  رَّبِّ  اغْفِرْ  وَارْحَمْ وَأَنتَ خَيْرُ الرَّاحِمِينَ

بسم الله الرحمن الرحيم

وَالصَّافَّاتِ    صَفًّا    (1)     فَالزَّاجِرَاتِ      زَجْرًا    (2)  فَالتَّالِيَاتِ ذِكْرًا  (3)  إِنَّ إِلَٰهَكُمْ لَوَاحِدٌ (4)  رَّبُّ السَّمَاوَاتِ        وَالْأَرْضِ        وَمَا        بَيْنَهُمَا        وَرَبُّ  الْمَشَارِقِ  (5)      إِنَّا  زَيَّنَّا  السَّمَاءَ   الدُّنْيَا   بِزِينَةٍ الْكَوَاكِبِ (6) وَحِفْظًا مِّن كُلِّ  شَيْطَانٍ مَّارِدٍ (7)  لَّا  يَسَّمَّعُونَ  إِلَى    الْمَلَإِ  الْأَعْلَىٰ  وَيُقْذَفُونَ  مِن كُلِّ جَانِبٍ (8)  دُحُورًا ۖ  وَلَهُمْ عَذَابٌ  وَاصِبٌ (9) إِلَّا مَنْ خَطِفَ  الْخَطْفَةَ فَأَتْبَعَهُ شِهَابٌ ثَاقِبٌ  (10) فَاسْتَفْتِهِمْ    أَهُمْ  أَشَدُّ   خَلْقًا  أَم  مَّنْ  خَلَقْنَا   ۚ    إِنَّا  خَلَقْنَاهُم مِّن طِينٍ لَّازِبٍ

يَا  مَعْشَرَ  الْجِنِّ  وَالْإِنسِ  إِنِ  اسْتَطَعْتُمْ  أَن  تَنفُذُوا  مِنْ    أَقْطَارِ   السَّمَاوَاتِ   وَالْأَرْضِ    فَانفُذُوا     ۚ   لَا تَنفُذُونَ  إِلَّا   بِسُلْطَانٍ  (33)  فَبِأَيِّ     آلَاءِ  رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ   (34)    يُرْسَلُ   عَلَيْكُمَا   شُوَاظٌ   مِّن   نَّارٍ  وَنُحَاسٌ  فَلَا  تَنتَصِرَانِ   (35)  فَبِأَيِّ  آلَاءِ    رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ  (36)  فَإِذَا  انشَقَّتِ السَّمَاءُ فَكَانَتْ وَرْدَةً كَالدِّهَانِ (37) فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ  (38) فَيَوْمَئِذٍ  لَّا  يُسْأَلُ عَن   ذَنبِهِ  إِنسٌ وَلَا جَانٌّ (39) فَبِأَيِّ آلَاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

لَوْ  أَنزَلْنَا  هَٰذَا  الْقُرْآنَ    عَلَىٰ  جَبَلٍ  لَّرَأَيْتَهُ  خَاشِعًا مُّتَصَدِّعًا      مِّنْ    خَشْيَةِ     اللَّهِ    ۚ    وَتِلْكَ    الْأَمْثَالُ نَضْرِبُهَا    لِلنَّاسِ   لَعَلَّهُمْ  يَتَفَكَّرُونَ    (21)  هُوَ   اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ۖ  عَالِمُ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ  ۖ هُوَ الرَّحْمَٰنُ الرَّحِيمُ  (22) هُوَ   اللَّهُ  الَّذِي لَا    إِلَٰهَ إِلَّا   هُوَ الْمَلِكُ    الْقُدُّوسُ    السَّلَامُ     الْمُؤْمِنُ     الْمُهَيْمِنُ  الْعَزِيزُ الْجَبَّارُ   الْمُتَكَبِّرُ  ۚ سُبْحَانَ اللَّهِ  عَمَّا يُشْرِكُونَ (23)    هُوَ    اللَّهُ    الْخَالِقُ    الْبَارِئُ    الْمُصَوِّرُ     ۖ     لَهُ الْأَسْمَاءُ    الْحُسْنَىٰ   ۚ    يُسَبِّحُ   لَهُ     مَا   فِي    السَّمَاوَاتِ  وَالْأَرْضِ ۖ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ

بسم الله الرحمن الرحيم

قُلْ  أُوحِيَ إِلَيَّ أَنَّهُ اسْتَمَعَ  نَفَرٌ  مِّنَ الْجِنِّ  فَقَالُوا   إِنَّا سَمِعْنَا  قُرْآنًا  عَجَبًا  (1)  يَهْدِي  إِلَى  الرُّشْدِ  فَآمَنَّا  بِهِ  ۖ وَلَن   نُّشْرِكَ بِرَبِّنَا   أَحَدًا (2) وَأَنَّهُ  تَعَالَىٰ جَدُّ  رَبِّنَا  مَا   اتَّخَذَ  صَاحِبَةً  وَلَا  وَلَدًا  (3)   وَأَنَّهُ  كَانَ يَقُولُ سَفِيهُنَا عَلَى اللَّهِ شَطَطًا

بسم الله الرحمن الرحيم

قُلْ  يَا   أَيُّهَا  الْكَافِرُونَ  (1)  لَا   أَعْبُدُ  مَا   تَعْبُدُونَ (2) وَلَا أَنتُمْ عَابِدُونَ    مَا أَعْبُدُ (3)  وَلَا  أَنَا  عَابِدٌ مَّا عَبَدتُّمْ   (4)  وَلَا  أَنتُمْ  عَابِدُونَ مَا أَعْبُدُ  (5)  لَكُمْ دِينُكُمْ وَلِيَ دِينِ (6)

بسم الله الرحمن الرحيم

قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ   (1)   اللَّهُ الصَّمَدُ (2)  لَمْ يَلِدْ   وَلَمْ يُولَدْ (3) وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ (4)

بسم الله الرحمن الرحيم

قُلْ  أَعُوذُ  بِرَبِّ   الْفَلَقِ   (1)   مِن  شَرِّ   مَا   خَلَقَ  (2) وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ (3) وَمِن شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ (4) وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ (5)

بسم الله الرحمن الرحيم

قُلْ    أَعُوذُ  بِرَبِّ النَّاسِ   (1) مَلِكِ   النَّاسِ (2) إِلَٰهِ النَّاسِ (3) مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ (4) الَّذِي يُوَسْوِسُ    فِي     صُدُورِ     النَّاسِ     (5)     مِنَ     الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ (6)

بسم الله الرحمن الرحيم

قُل لَّن يُصِيبَنَا إِلَّا   مَا  كَتَبَ  اللَّهُ لَنَا   هُوَ  مَوْلَانَا ۚ وَعَلَى اللَّهِ فَلْيَتَوَكَّلِ الْمُؤْمِنُونَ 

ওপরে বর্ণিত ফজিলত ও প্রতিশ্রুত পুরস্কারসমূহ অর্জন করার অভীষ্ট লক্ষ্যে প্রত্যেক মুসলমানের উচিত উল্লেখিত জিকিরসমূহ নিয়মিত আদায় পড়া।

Advertisement

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here