সিলেট-৩ আসনে উপ-নির্বাচন: বেশিরভাগ কেন্দ্রই ফাঁকা

0
43

নিউজ ডেস্ক: সিলেট-৩ আসনে উপ-নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। তবে প্রথমবারের মতো এ আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট গ্রহণ করা হলেও কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের তেমন ঝটলা নেই। শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টায় এ ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

সকাল থেকে ভোটগ্রহণের শুরুতে কয়েকটি কেন্দ্রে ভোটারদের মোটামুটি উপস্থিতি থাকলেও বেশিরভাগ কেন্দ্র প্রায় ফাঁকা দেখা গেছে। তবে যেসব কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি আছে সেগুলোতে পুরুষের চেয়ে নারী ভোটার বেশি ছিল। এছাড়া কেন্দ্রে কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যাপ্ত সংখ্যক সদস্য।

সকাল সাড়ে ৮টায় ও পৌনে ৯টার দিকে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার পূর্বভাগ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় ও হাজী মোহাম্মদ রাজা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে ভোটারের দেখা মেলেনি। তবে বেলা বাড়ার পর হাতেগোনা কিছু ভোটার কেন্দ্রে গিয়ে প্রথমবারের মতো ইভিএম মেশিনে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

সকাল সোয়া ৮টায় ভোট দেন এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব। তিনি তার নিজ কেন্দ্র দক্ষিণ সুরমার কামালবাজারের ধরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট দেন আর স্বতন্ত্র প্রার্থী শফি আহমেদ চৌধুরী দাউদিয়া গৌছ উদ্দিন সিনিয়র মাদ্রাসায় ভোট প্রদান করেছেন।

তবে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) জটিলতার কারণে নিজের ভোট দিতে পারেন নি সিলেট-৩ আসনের উপ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আতিকুর রহমান আতিক।

শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টায় রেবতি রেমন উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে ভোট দিতে গেলে ইভিএম মেশিনে আতিকের আঙ্গুলের চাপ সংক্রান্ত সমস্যার কারণে তিনি ভোট দিতে পারেননি।

এর আগে সকাল ৮ টায় সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু হয়। শুরুতে কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল কিছুটা কম। তবে সময় বাড়ার সাথে সাথে ভোটার উপস্থিতি বাড়তে পারে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এছাড়া কেন্দ্রে কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যাপ্ত সংখ্যক সদস্যকে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। নির্বাচনে ২১ ইউনিয়নে একজন করে এবং মনিটরিংয়ে তিনজন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত রয়েছেন।

গত ১২ মার্চ করোনায় সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী মারা গেলে আসনটি শূন্য হয়। এরপর করোনার কারণে কয়েক দফা তারিখ পরিবর্তন হয়।

আসনটিতে আওয়ামীলীগ, জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশ কংগ্রেস ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে মোট ৪ জন প্রার্থী লড়ছেন। সিলেটের দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ উপজেলার একাংশ নিয়ে আসনটি গঠিত। মোট ১৪৯টি কেন্দ্রে প্রায় সাড়ে তিন লাখ ভোটারের ভোট দেওয়ার কথা। সবকটি কেন্দ্রেই ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ হবে।