বিশ্বনাথ মুক্ত দিবসের সঠিক তারিখ নির্ধারণে এগিয়ে আসার দাবী

0
112

নিউজ ডেস্ক:
বিজয়ের ৫০ বছরেও বিশ্বনাথ মুক্ত দিবসের সঠিক তারিখ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধের সংগঠকদের মধ্যে মতভেদ পরিলক্ষিত হচ্ছে। এ ব্যাপারে এখনও যারা জীবিত আছেন সকলে বসে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সঠিক ইতিহাস প্রণয়ন প্রয়োজন। বিশ্বনাথ মুক্ত দিবস ৬, ১০ না ১১ ডিসেম্বর এই প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
উল্লেখ্য বিশ্বনাথ মুক্ত দিবস ৬, ১০ না ১১ ডিসেম্বর এ ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধের সংগঠকদের মধ্যে। মতভেদ নিরসন ও সঠিক ইতিহাস উদঘাঠন করতে ভার্চুয়াল আলোচনা সভার উদ্যোগ নেন মুক্তিযোদ্ধার প্রজন্ম সভাপতি বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ বিশ^নাথ উপজেলা ইউনিট কমান্ডের বিগত নির্বাচনে নির্বাচিত সহকারী কমান্ডারের সন্তান সাংবাদিক কবি নাজমুল ইসলাম মকবুল। ৬ ডিসেম্বর রাতে সিলেট টু কানাডা ফেসবুক পেইজ থেকে নাজমুল ইসলাম মকবুল এর সঞ্চালনায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে লাইভ আলোচনায় অংশ নেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ সোলেমানের সহোদর বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা। লন্ডন থেকে প্রবীণ সাংবাদিক মাসিক দর্পণ সম্পাদক মোঃ রহমত আলী এবং বিশ^নাথের একমাত্র বীর বিক্রম আব্দুল মালেকের সন্তান সংগঠক ও সমাজসেবী সাজিদুর রহমান সোহেল।
আলোচনা সভায় বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা বিশ^নাথ মুক্ত দিবস ৬ ডিসেম্বর এবং মুক্ত দিবসের কার্যক্রমে নিজে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছিলেন বলে স্মৃতিচারণ করেন। তিনি এ ব্যাপারে কয়েক বছর পূর্বে বিশ^নাথের কয়েকজন বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধের সংগঠক, রাজনীতিবিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করার বিষয়টিও উল্লেখ করেন। তিনি এ ব্যাপারে সঠিক ইতিহাস জানানোর ও সঠিক ইতিহাস লেখার অনুরোধ জানান সংশ্লিষ্ট সকলকে।
সাংবাদিক মোঃ রহমত আলী সে সময় মুক্তিযোদ্ধে অংশ নিতে ভারতে ট্রেনিংয়ের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছিলেন বলে জানান। কিন্তু ততক্ষণে দেশ স্বাধীন হয়ে যাওয়ায় আর যুদ্ধের ট্রেনিংয়ে অংশ নিতে না পেরে ফেরত এসে বিশ^নাথ মুক্ত দিবসের বিজয় উল্লাসে শরিক হন বলে সে সময়ের স্মৃতিচারণ করেন। এ বিষয়ে তার লেখা গ্রন্থের কথাও জানান এবং গ্রন্থটি প্রদর্শণ করেন।
সঞ্চালক এবং সাজিদুর রহমান সোহেলসহ সকল আলোচক এ ব্যাপারে জাতিকে সঠিক ইতিহাস জানানোর ও সঠিক ইতিহাস উদঘাটনের অনুরোধ জানান সংশ্লিষ্ট সকলকে। তারা বলেন আর কয়েক বছর পর জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তান আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আর হয়তো পাওয়া যাবেনা। তাই জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তান আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জীবদ্দশায় এ ব্যাপারে সকলে ঐক্যমত পোষন করা সময়ের দাবী।