বিদেশি কর্মী নিয়োগে বিশেষ কোটা বাতিল করল মালয়েশিয়া

0
34

নিউজ ডেস্ক:
মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগে আর বিশেষ কোটা জারি করা হবে না উল্লেখ করে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি হামজাহ জয়নুদিন বলেছেন, এখন থেকে নিয়োগকর্তাদের কাছ থেকে আসা প্রত্যেকটি আবেদন এখন থেকে মন্ত্রণালয়ের মূল্যায়ন কমিটিতে পাঠানো হবে। সেখানে নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে যোগ্য বিদেশি কর্মী নিয়োগের সংখ্যা নির্ধারণ করা হবে।।

শনিবার (২২ জানুয়ারি) কাম্পুং তাপাহ, সুঙ্গাই বায়ুর, আজ সেলামার কাছে জনবান্ধব অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে এসব কথা বলেন।

মালয়েশিয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একজন নিয়োগকর্তার প্রতিটি আবেদন এখন শর্ত ও আইন অনুযায়ী নিয়োগ পাওয়ার যোগ্য বিদেশী কর্মচারীদের সংখ্যা তদন্তের জন্য মন্ত্রণালয় কমিটির মূল্যায়নের মাধ্যমে যাওয়া প্রয়োজন। আর কোন বিশেষ কোটা নয়। কমিটি অনুমোদন পেতে হবে। কিছু মানুষ অজ্ঞাত এবং কথা বলতে মজার। জনগণের জানা দরকার, একজন নিয়োগকর্তার বিদেশি কর্মী প্রয়োজন, কমিটি অনুমোদন পেতে হবে কারণ সেখানে একটি কাজ আছে।

হামজাহ বলেন, লোকজন যাই বলুক না কেন, কোনো নিয়োগকর্তা বিদেশি কর্মী নিয়োগ করতে চাইলে তাকে আইন অনুযায়ী কমিটির অনুমোদন নিয়ে নিয়োগ দিতে হবে।

উদাহরণ হিসেবে দেশটির বৃক্ষরোপণ খাতের কথা উল্লেখ করে হামজা বলেন, নিয়োগকর্তাকে বিদেশি কর্মী কোটা এবং কতজন এই খাতের কাজের জন্য প্রয়োজন তা জানাতে হবে। ধরা যাক, কোনো বাগানে কাজের জন্য ১০০০ কর্মীর প্রয়োজন, কিন্তু সেখানে পর্যাপ্ত আবাসনের ব্যবস্থা নেই। এক্ষেত্রে নিয়োগকর্তা মাত্র ৪০০ জন শ্রমিক নিয়োগ দিতে পারবেন।

কৃষি খাতের একটি উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, শ্রমিক কোটা কতটুকু প্রয়োজন এবং কতটুকু প্রাপ্য তা জানা প্রয়োজন। তারা বলেছিল তাদের ১,০০০ কর্মী পাওয়া উচিত কিন্তু থাকার জায়গা না থাকায়, হয়তো সে মাত্র ৪০০ পেয়েছে। বাকি যে কর্মচারীদের আবেদন করা হয়েছে তাদের যোগ করতে, মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের (কেএসএম) সাথে পুনরায় আবেদন করতে হবে অথবা আমাদের পরীক্ষা করতে বলতে হবে।

এখন গ্রহণ আরও কঠিন হচ্ছে এবং আগের উত্তরাধিকারের মত আর কোন বিনামূল্যে কোটা চাই না যোগ করেন তিনি।

হামজাহ বলেছেন, যদি অবাধ নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু থাকে, তাহলে বিদেশি কর্মীরা শর্ত এবং মানদণ্ড না মেনেই প্রবেশ করবেন। এর ফলে কর্মীদের কল্যাণের ব্যাপারে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেবে।

প্রসঙ্গত, এর আগে, বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে আবেদন করতে হতো নিয়োগকর্তাদের। তবে এখন বিদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের অভিন্ন নীতি এবং পদ্ধতি নিশ্চিত করার জন্য দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে হবে।