ফেসবুকে মামুনুল হককে নিয়ে স্ট্যাটাস: ঝুমনের মামলা সিলেটে স্থানান্তর

0
81

নিউজ ডেস্ক:
ফেসবুকে মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক স্ট্যাটাস দেয়ায় সুনামগঞ্জের শাল্লার ঝুমন দাশের বিরুদ্ধে করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলাটি বিচারের জন্য সিলেটে স্থানান্তর করা হয়েছে। ঝুমন উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামের বাসিন্দা। সুনামগঞ্জের আদালত থেকে মামলাটি সিলেটের সাইবার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়।

বুধবার (৮ ডিসেম্বর) ঝুমন দাশ সিলেটের সাইবার ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে হাইকোর্ট থেকে দেওয়া জামিন বহাল রাখার আবেদন জানালে ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবেদন মঞ্জুর করেন।

ঝুমন দাশের সিলেটের সাইবার ট্রাইব্যুনালে হাজির এবং পূর্ব জামিন বহাল রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করে বেসরকারি সংস্থা ব্লাস্টের সমন্বয়কারী আইনজীবী ইরফানুজ্জামান চৌধুরী জানান, তারা ঝুমন দাশের আইনি কার্যক্রমে সংগঠনের পক্ষ থেকে সহায়তা দিচ্ছেন।

আইনজীবী ইরফানুজ্জামান চৌধুরী জানান, সুনামগঞ্জে সাইবার ট্রাইব্যুনাল নেই। সিলেটে আছে। এজন্য ঝুমন দাশের মামলাটি বিচারের জন্য সিলেটের ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী আদালত পরিবর্তন হলে যে আদালতে মামলা স্থানান্তর হয়, সেই আদালতে জামিন বহালের আবেদন করতে হয়।

ঝুমন দাশ জানান, হাইকোর্ট থেকে পাওয়া জামিনের শর্ত অনুযায়ী তিনি জেলার বাইরে যেতে পারেন না। তাই মামলাটি স্থানান্তর হওয়ার পর সিলেটে ট্রাইব্যুনালে হাজিরা দেওয়ার অনুমতির জন্য সুনামগঞ্জের আদালতে আবেদন করেন। আদালত মঙ্গলবার তার আবেদন মঞ্জুর করায় বুধবার তিনি সিলেটের সাইবার ট্রাইব্যুনালে গিয়ে হাজিরা দেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, হেফাজতে ইসলামের নেতা মাওলানা মামুনুল হককে নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে গত ১৬ মার্চ ঝুমন দাশকে আটক করে পুলিশ। পরে তার বিরুদ্ধে শাল্লায় থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়।

ঝুমন দাশের ওই ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে ১৭ মার্চ সকালে তিনটি গ্রামের মানুষ লাঠিসোটা নিয়ে ঝুমন দাশের গ্রাম নোয়াগাঁওয়ের মানুষের বাড়িঘর, মন্দিরে হামলা ও লুটপাট চালায়। এ ঘটনায় থানায় পৃথক তিনটি মামলা হয়েছে। এসব মামলার আসামি দুই সহস্রাধিক।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় ঝুমন দাশ প্রায় ছয় মাস কারাগারে ছিলেন। গত ২৩ সেপ্টেম্বর তিনি হাইকোর্ট থেকে জামিন পান।