ধর্মঘটে যে গাড়িগুলো চলবে

0
92
dhormoghot student exam

নিউজ ডেস্ক:
সিলেট বিভাগজুড়ে সোমবার (২২ নভেম্বর) থেকে ভোর থেকে অনির্দিষ্টকালের ‘কঠোর ধর্মঘট’ বা সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ।

সর্বশেষ ১৫ দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে তাদের ৫টি দাবি পূরণ না হওয়ায় তারা এমন আন্দোলনের পথে হাঁটছেন বলে জানিয়েছেন তারা। রোববার (২১ নভেম্বর) দুপুরে অনুষ্ঠিত এক জরুরি বৈঠক থেকে ‘চূড়ান্ত’ এ সিদ্ধান্ত নেন পরিবহন নেতারা।

এদিকে, পরিবহন শ্রমিকদের ডাকা এ ‘ধর্মঘট’র ফলে বিপাকে পড়েছেন চলমান এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার্থীরা। অনেকেই গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বের হতে শঙ্কাবোধ করছেন। তবে সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কমিটি জানিয়েছে, পরীক্ষার্থী, রোগী, বিদেশযাত্রীসহ জরুরি সেবার গাড়িগুলোকে তারা চলাচল করতে দিবেন।

এ বিষয়ে বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সজীব আলী রোববার (২১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বলেন, আমরা আমাদের কর্মীদের বলে দিয়েছি- এসএসসিহ অন্যান্য পরীক্ষার্থী, রোগী, বিদেশযাত্রী এবং জরুরি সেবার গাড়িগুলোকে ছেড়ে দিতে। তবে অন্য কোনো গাড়ি রাস্তায় চলতে দিবো না আমরা।

উল্লেখ্য, সিলেটে সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেছিলেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ। সেই সময় শেষ হয় রোববার। কিন্তু তাদের ৫ দফা দাবি আদায় হয়নি বলে জানিয়েছেন পরিবহন শ্রমিক নেতৃবৃন্দ। ফলে সোমবার থেকে কঠোর আন্দোলনে যাচ্ছেন তারা। সোমবার ভোর ৬টা থেকে সিলেট বিভাগজুড়ে কোনো ধরনের গাড়ি চলতে দিবেন না হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তারা।

পরিবহন শ্রমিকদের দাবিগুলো হচ্ছে- সিলেট জেলা অটোটেম্পু, অটোরিকশা চালক শ্রমিক জোট (রেজি নং: ২০৯৭)-এর ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা, ‘প্রহসনের নির্বাচন’ ও ‘বিনা প্রতিদ্ধন্ধিতায়’ ঘোষিত কমিটি বাতিল করা ও মনোনয়ন ফি বাবত আদায়কৃত সকল টাকা ফেরত প্রদান, সিলেটের আঞ্চলিক শ্রম দফতরের উপপরিচালককে প্রত্যাহার, সিলেট জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি নং: বি-১৪১৮) নেতৃবৃন্দের উপর দায়েরকৃত মামলাসমূহ প্রত্যাহার, ট্রাফিক পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশের সকল প্রকার হয়রানি বন্ধ, মেয়াদ উত্তীর্ণ শেরপুর, শেওলা, লামাকাজী, শাহপরাণ ও ফেঞ্চুগঞ্জ সেতু থেকে টোল আদায় বন্ধ এবং চৌহাট্টাসহ নগরীর বিভিন্ন স্থানে কার, মাইক্রোবাস, লেগুনা, সিএনজি অটোরিকশসহ সকল প্রকার গাড়ির পার্কিং ব্যবস্থা করা।