দ্বিতীয়বার অপারেশনে রোগীর পেটে মিলল কাপড়!

0
178
  • পেঠের ব্যথায় আল্ট্রাসনো করে কাপড়ের অস্তিত্ব মেলে
  • দ্বিতীয় দফায় অপারেশন করে সেই কাপড় বের করা হয়

নিউজ ডেস্ক:
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর শহরে একটি ক্লিনিকে পেটের মধ্যে রক্ত পরিষ্কার করা (মফস) কাপড় রেখেই এক সিজারিয়ান রোগীর পেট সেলাই করেছেন আনিছুর রহমান নামে এক চিকিৎসক।

সিজারের ৮ দিনের মাথায় গত রবিবার আরেকটি ক্লিনিকে দ্বিতীয় দফায় অপারেশন করে পেটের মধ্যে থাকা রক্তমাখা কাপড় বের করা হয়। এ নিয়ে হইচই পড়ে গেছে। রোগীর স্বজনরা চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তুলেছেন।

জানা গেছে, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চোরকোল গ্রামের পিকুলের সন্তানসম্ভবা মেয়ে রুনা খাতুন সিজারের জন্য ভর্তি হয় কোটচাঁদপুর শহরের একটি ক্লিনিকে। গত ২০ মার্চ সেখানে সিজার করেন জীবননগরের (আদি বাড়ি মাগুরা) চিকিৎসক আনিছুর রহমান। সিজারের সময় রোগীর পেটের মধ্যে মফস রেখে সেলাই করা হয়।

রোগীর খালু বাবু মিয়া জানান, কিছুদিন পর রোগীর অবস্থা খারাপ হয়ে পড়লে ঝিনাইদহ শহরের একটি ক্লিনিকে আল্ট্রাসনো করা হয়। রিপোর্টে পেটের মধ্যে কাপড়ের অস্তিত্ব মেলে। পরে দ্রুত রুনা খাতুনকে শহরের একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। রবিবার (২৮ মার্চ) রোগীকে দ্বিতীয় দফায় অপারেশন করেন ডা. জাহিদ।

ডা. জাহিদ জানান, রোগীর পেট থেকে রক্ত পুজ ও মফস জাতীয় জিনিস বের করা হয়। তবে রোগী এখন সুস্থ। চিকিৎসকদের আরো সতর্ক ও সচেতন না হলে রোগীর জীবন বিপন্ন হতে পারে বলে জানান তিনি।

এ ব্যাপারে কোটচাঁদপুর সিটি ক্লিনিকের মালিক জাহাঙ্গীর জানান, ডাক্তাররা তো অপারেশন করেই খালাস। কিন্তু ভুল চিকিৎসার পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী ঝামেলা তো ক্লিনিক মালিকদেরই পোহাতে হয়। ক্লিনিকের পক্ষ থেকে রোগীকে সাপোর্ট দেওয়া হচ্ছে। তবে ভুল চিকিৎসার চিকিৎসক ডা. আনিছুর রহমানের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন সেলিনা বেগম জানান, ঘটনাটি আমি শুনেছি। অফিস বন্ধ থাকায় ব্যবস্থা নিতে পারেনি। দায়ী চিকিৎসক ও ক্লিনিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তথ্যসূত্র: বিডিপ্রতিদিন