ছাতকে নিখোঁজ যুবকের লাশ উদ্ধার, আটক ৪

0
21

নিউজ ডেস্ক:
ছাতকে নিখোঁজের ৪ দিন পর সুরমা নদী থেকে মতিউর রহমান (২৬) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে (২২-এপ্রিল) তার লাশ পাওয়া যায়।

সে নোয়ারাই ইউনিয়নের লক্ষীবাউর গ্রামের আফতাব মিয়ার পুত্র।

জানা যায়, গত মঙ্গলবার (১৯-এপ্রিল) রাতে একই গ্রামের জাবির মিয়ার সাথে সুরমা নদীতে মাছ ধরার কথা বলে নদীতে গিয়ে নিখোঁজ হয় মতিউর রহমান। একসাথে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে ওই রাতে জাবির মিয়া বাড়ি ফিরে এলেও মতিউর রহমান আর বাড়ি ফিরেনি। তখন থেকেই মতিউর রহমান নিখোঁজ রয়েছে।

পরিবার সুত্র থেকে জানা গেছে, গ্রামের আব্দুর রহিমের পুত্র জাবির মিয়া ওই রাতে সুরমা নদীতে মাছ ধরার কথা বলে মতিউর রহমানকে ডেকে নিয়েছিলো। নিখোঁজের ঘটনায় ছাতক থানায় একটি জিডিও করেছেন মতিউরের পিতা আফতাব মিয়া।

শুক্রবার দুপুরে দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা নদীর ভোজনা এলাকায় একটি ড্রেজিং জাহাজের পাইপের সাথে ভাসমান লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা দোয়ারা থানায় খবর দেন।

দোয়ারাবাজার থানার এসআই দিলু দে লাশ উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, মতিউর রহমান নিখোঁজের পর থেকে এক সাথে নদীতে মাছ ধরতে যাওয়া জাবির মিয়ার আচরণ সন্দেহজনক মনে হচ্ছিলো । একেক সময় একেক ধরনের কথা বলছিলো সে। একই সাথে থাকা মতিউর রহমানের কোনো সন্ধান দিতে পারেনি জাবির মিয়া। এ নিয়ে জনমনে নানা সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।

মতিউর রহমান নিখোঁজের ঘটনায় বৃহস্পতিবার ছাতক থানার এস আই আতিকুল ইসলাম খন্দকার নিজ বাড়ি থেকে আটক করেন জাবির মিয়াকে। তার একটি মোবাইল ফোনের সুত্র ধরে আরো ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। এ তিন জন সুরমা নদীর বাউশা এলাকায় থাকা নদী খনন কাজের জাহাজ এক্যুয়া -৩ এর শ্রমিক।

ছাতক থানার এস আই আতিকুল ইসলাম খন্দকার জানান, ৪ জনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছে।

দোয়ারাবাজার থানার এস আই দিলু দে জানান, লাশের দুটো চোখসহ কয়েকটি স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।

দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ দেব দুলাল ধর লাশ উদ্ধারের বিষয় নিশ্চিত করে জানান, ময়না তদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে।